কয়েক লক্ষ বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর আস্থা অর্জন করা 9bajee শুধু একটি বেটিং সাইট নয় — এটি একটি কমিউনিটি, একটি প্রতিশ্রুতি এবং প্রতিটি গেমারের সঙ্গী।
২০১৮ সালে যখন 9bajee-র যাত্রা শুরু হয়েছিল, তখন বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং মানেই ছিল বিদেশি সাইটে ইংরেজিতে হোঁচট খেতে খেতে খেলার চেষ্টা। পেমেন্টে ঝামেলা, বাংলা সাপোর্ট নেই, নিরাপত্তার নিশ্চয়তা নেই। এই সমস্যাগুলো দেখেই একদল প্রযুক্তিবিদ ও বেটিং বিশেষজ্ঞ মিলে ঠিক করলেন — বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটি আলাদা, নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম দরকার।
সেই ভাবনা থেকেই জন্ম 9bajee-র। প্রথম দিন থেকে একটাই লক্ষ্য ছিল — বাংলায় কথা বলা, বাংলা পেমেন্টে সুবিধা দেওয়া এবং বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর মতো করে সবকিছু সাজানো। ক্রিকেট বিশ্বকাপের সময় যে উত্তেজনা অনুভব হয়, বা BPL-এর কোনো রাতে ঘরে বসে বন্ধুর সাথে বাজি ধরার যে আনন্দ — সেটাকে একটি নিরাপদ ও পেশাদার অভিজ্ঞতায় রূপান্তর করতেই 9bajee কাজ করে যাচ্ছে।
আমাদের মিশন সহজ — প্রতিটি বাংলাদেশি ব্যবহারকারী যেন নিরাপদে, স্বচ্ছন্দে এবং আনন্দের সাথে অনলাইন বেটিং উপভোগ করতে পারেন। আমরা বিশ্বাস করি বিনোদন হওয়া উচিত সহজলভ্য, এবং নিরাপত্তা হওয়া উচিত আপোষহীন।
9bajee-র দৃষ্টিভঙ্গি হলো এমন একটি প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা যেখানে প্রযুক্তি ও বিশ্বাস একসাথে চলে। আমরা শুধু একটি বেটিং সাইট চালাই না — আমরা একটি দায়িত্বশীল গেমিং সংস্কৃতি তৈরি করতে চাই যেখানে প্রতিটি ব্যবহারকারী তার সীমা বোঝেন এবং আনন্দকে আনন্দ হিসেবেই উপভোগ করেন।
অনেক আন্তর্জাতিক বেটিং প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশে সেবা দেয়, কিন্তু তাদের বেশিরভাগই বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে তৈরি নয়। 9bajee-র ক্ষেত্রে বিষয়টা একদম আলাদা। এখানে সবকিছু বাংলাদেশকেন্দ্রিক।
9bajee-র পেছনে আছে একটি নিবেদিতপ্রাণ প্রযুক্তি দল যারা দিনরাত কাজ করে প্ল্যাটফর্মটিকে আরও ভালো করে তুলছে। সার্ভার আপটাইম ৯৯.৯৫% নিশ্চিত রাখা, পেমেন্ট গেটওয়ে দ্রুততর করা, নতুন গেম যোগ করা — এই কাজগুলো নিরলসভাবে চলছে। প্রতি মাসে গড়ে দু'টি বড় আপডেট দেওয়া হয় যেখানে ব্যবহারকারীদের ফিডব্যাক সরাসরি প্রতিফলিত হয়।
আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং টিম বিশেষভাবে বাংলাদেশের নেটওয়ার্ক পরিস্থিতি অনুযায়ী অ্যাপ ও ওয়েবসাইটকে অপ্টিমাইজ করেছে। গ্রামাঞ্চলে ৩G কানেকশনেও 9bajee সুন্দরভাবে কাজ করে — এটা আমাদের গর্বের বিষয়।
9bajee ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য ও আর্থিক লেনদেনের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়। সমস্ত ডেটা AES-256 এনক্রিপশনে সুরক্ষিত। প্রতিটি পেমেন্ট SSL/TLS প্রোটোকলে নিরাপদ চ্যানেলে প্রক্রিয়া হয়। বছরে দুইবার তৃতীয় পক্ষের নিরাপত্তা অডিট পরিচালিত হয়।
এছাড়া 9bajee দায়িত্বশীল গেমিং নীতি অনুসরণ করে। প্রতিটি অ্যাকাউন্টে ডিপোজিট লিমিট, সেশন টাইমার ও সেলফ-এক্সক্লুশন অপশন রয়েছে। আমরা মনে করি একজন সুখী ও সচেতন ব্যবহারকারীই আমাদের সেরা অ্যাম্বাসেডর।
একটি ছোট দল নিয়ে 9bajee-র বেটা ভার্সন লঞ্চ হয়। প্রথম মাসেই ১০,০০০ নিবন্ধন।
Android ও iOS অ্যাপ একসাথে লঞ্চ। বিকাশ ও নগদ পেমেন্ট যোগ হয়।
রিয়েল ডিলারের সাথে লাইভ বাকারা, রুলেট ও ব্ল্যাকজ্যাক যোগ হয়।
ব্যবহারকারী সংখ্যা ১০ লক্ষ ছাড়িয়ে যায়। VIP প্রোগ্রাম চালু হয়।
রিয়েল-টাইম ইন-প্লে বেটিং ও লাইভ স্ট্রিমিং ফিচার যোগ করা হয়।
মাত্র ৬ বছরে 9bajee বাংলাদেশের এক নম্বর বেটিং প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়।
প্রতিটি বৈশিষ্ট্য তৈরি হয়েছে বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের চাহিদাকে কেন্দ্রে রেখে
AES-256 এনক্রিপশন, SSL সুরক্ষিত পেমেন্ট এবং বার্ষিক তৃতীয় পক্ষের নিরাপত্তা অডিটের মাধ্যমে আপনার তথ্য ও অর্থ সম্পূর্ণ নিরাপদ রাখা হয়।
বিকাশ, নগদ ও রকেটে সরাসরি ডিপোজিট ও উইথড্রল। মাত্র ১৫ মিনিটে টাকা আপনার মোবাইল ব্যাংকিংয়ে পৌঁছে যায় — কোনো ঝামেলা নেই।
দিনে রাতে যেকোনো সময় বাংলায় লাইভ চ্যাট সাপোর্ট পাবেন। আমাদের সাপোর্ট টিম সাধারণত ৫ মিনিটের মধ্যে সাড়া দেয়।
Android ও iOS উভয় প্ল্যাটফর্মে অপ্টিমাইজড অ্যাপ। পুরনো ফোনেও চলে, ডেটা সেভার মোডে ধীর নেটেও স্মুথ অভিজ্ঞতা মেলে।
BPL, IPL, বাংলাদেশ জাতীয় দল, EPL এবং Champion's League — সব বড় টুর্নামেন্টের রিয়েল-টাইম অডস ও ইন-প্লে বেটিং।
নতুন সদস্যদের জন্য ওয়েলকাম বোনাস, প্রতিদিনের ক্যাশব্যাক এবং ভিআইপি সদস্যদের জন্য এক্সক্লুসিভ রিওয়ার্ড — সব এক জায়গায়।
প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে এই মূল্যবোধগুলো কাজ করে
অডস থেকে পেমেন্ট প্রক্রিয়া পর্যন্ত সব কিছু স্বচ্ছ। কোনো লুকানো চার্জ বা গোপন শর্ত নেই।
প্রতিটি ফিচার, প্রতিটি আপডেট ব্যবহারকারীর ফিডব্যাক শুনে তৈরি। আপনার মতামতই আমাদের দিকনির্দেশনা।
ব্যবহারকারীর ডেটা ও অর্থের সুরক্ষায় আমরা শিল্পের সর্বোচ্চ মান অনুসরণ করি।
আমরা কখনো থেমে থাকি না। প্রতিটি আপডেটে প্ল্যাটফর্ম আরও ভালো হয়, আরও দ্রুত হয়।
আনন্দ যেন কখনো বোঝায় পরিণত না হয়, সেজন্য আমরা দায়িত্বশীল গেমিং টুলস সবার নাগালে রেখেছি।
বোনাস দেওয়া হয়েছে মানে তা পাবেন। উইথড্রল চাওয়া হয়েছে মানে তা আসবে — সময়মতো।
বিভিন্ন বিভাগের দক্ষ পেশাদারদের সমন্বয়ে গঠিত আমাদের দল
১২ বছরের ফিনটেক অভিজ্ঞতা সম্পন্ন। বাংলাদেশে ডিজিটাল পেমেন্ট খাতের অগ্রদূত।
মোবাইল অ্যাপ ও ক্লাউড আর্কিটেকচারে বিশেষজ্ঞ। 9bajee অ্যাপের মূল স্থপতি।
ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা ডিজাইনে ৮ বছরের দক্ষতা। প্রতিটি ফিচারের পেছনের মাথা।
২৪/৭ সাপোর্ট টিমের নেতৃত্ব দেন। গড় রেসপন্স টাইম ৫ মিনিটের নিচে রাখার কারিগর।